Cademy
SuggestionsBengaliWBBSE

Madhyamik Bengali বাংলা ব্যাকরণ – প্রশ্ন ও উত্তর | WBBSE Class 10 Bengali Grammar

28 Aug 2026 0 views

Madhyamik Bengali বাংলা ব্যাকরণ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশেষ করে কারক ও অকারক সম্পর্ক এবং সমাস থেকে সংজ্ঞা, পার্থক্য, উদাহরণ এবং বাক্যভিত্তিক প্রশ্ন ভালোভাবে প্রস্তুত করা দরকার।

এখানে বিষয়গুলি সহজ ভাষায় সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা পরীক্ষার আগে দ্রুত পড়ে গুরুত্বপূর্ণ ধারণাগুলি পুনরায় ঝালিয়ে নিতে পারে।

Madhyamik Bengali বাংলা ব্যাকরণ – গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

বিষয় যে ধরনের প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ
কারক ও অকারক সম্পর্ক সংজ্ঞা, পার্থক্য, কারক নির্ণয়, বিভক্তি নির্ণয়
সমাস সমাসের সংজ্ঞা, প্রকারভেদ, ব্যাসবাক্য, সমাস নির্ণয়

কারক ও অকারক সম্পর্ক – Madhyamik Bengali Grammar

বাক্যে ক্রিয়াপদের সঙ্গে অন্যান্য পদের যে সম্পর্ক তৈরি হয়, তা ব্যাকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সম্পর্কের ভিত্তিতেই বিভিন্ন কারক নির্ণয় করা হয়। আবার কিছু পদ ক্রিয়ার সঙ্গে কারকগত সম্পর্ক না রেখেও বাক্যের অর্থ প্রকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

প্রযোজক কর্তা কাকে বলে?

প্রশ্ন: প্রযোজক কর্তা কাকে বলে?
উত্তর: কর্তা যখন নিজে কোনো কাজ না করে অন্য কাউকে দিয়ে সেই কাজ করায়, তখন সেই কর্তাকে প্রযোজক কর্তা বলে।
উদাহরণ: শিক্ষক ছাত্রকে অঙ্ক করাচ্ছেন।

সমধাতুজ কর্তা কী?

প্রশ্ন: সমধাতুজ কর্তার একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: যে কর্তৃবাচক পদ এবং ক্রিয়াপদের ধাতুর মধ্যে একই ধাতুগত সম্পর্ক থাকে, তাকে সমধাতুজ কর্তা বলা হয়।
উদাহরণ: গায়ক গান গায়।

ব্যতিহার কর্তা কাকে বলে?

প্রশ্ন: ব্যতিহার কর্তা কাকে বলে?
উত্তর: বাক্যে দুই বা ততোধিক কর্তা যখন পরস্পরের সঙ্গে একই ধরনের ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তখন তাকে ব্যতিহার কর্তা বলা হয়।

নিরপেক্ষ কর্তা কী?

প্রশ্ন: নিরপেক্ষ কর্তা কাকে বলে?
উত্তর: একটি বাক্যে সমাপিকা ক্রিয়া ও অসমাপিকা ক্রিয়ার কর্তা আলাদা হলে অসমাপিকা ক্রিয়ার কর্তাকে নিরপেক্ষ কর্তা বলা হয়।

বিভক্তি কাকে বলে?

প্রশ্ন: বিভক্তি কাকে বলে?
উত্তর: যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে তাকে পদে পরিণত করে, তাকে বিভক্তি বলে।

বিভক্তি ও অনুসর্গের পার্থক্য

বিভক্তি অনুসর্গ
বিভক্তির নিজস্ব কোনো স্বাধীন অর্থ থাকে না। অনুসর্গের নিজস্ব অর্থ থাকে।
শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে পদ গঠনে সাহায্য করে। পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সম্পর্ক প্রকাশ করে।

নির্দেশক কাকে বলে?

প্রশ্ন: নির্দেশক কাকে বলে?
উত্তর: কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দিষ্টভাবে বোঝানো অথবা তার সংখ্যা নির্দেশ করার জন্য যে চিহ্ন বা শব্দ ব্যবহৃত হয়, তাকে নির্দেশক বলা হয়।

বিভক্তি ও নির্দেশকের পার্থক্য

বিভক্তি

বিভক্তি সাধারণত পদের সঙ্গে ক্রিয়ার কারকগত সম্পর্ক প্রকাশ করে।

নির্দেশক

নির্দেশক কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সংখ্যা বা নির্দিষ্টতা বোঝাতে সাহায্য করে।

অকারক পদ কাকে বলে?

প্রশ্ন: অকারক পদ কাকে বলে?
উত্তর: বাক্যের যেসব পদের সঙ্গে ক্রিয়াপদের কারকগত সম্পর্ক থাকে না, কিন্তু বাক্যের অন্য কোনো পদের সঙ্গে সম্পর্ক থাকতে পারে, তাদের অকারক পদ বলে।
প্রধান উদাহরণ: সম্বন্ধ পদ ও সম্বোধন পদ।

শূন্য বিভক্তি কী?

প্রশ্ন: শূন্য বিভক্তি কাকে বলে?
উত্তর: যে বিভক্তি শব্দের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও তার কোনো দৃশ্যমান বর্ণ বা চিহ্ন প্রকাশ পায় না, তাকে শূন্য বিভক্তি বলে।
পরীক্ষার টিপস: কারক অধ্যায় পড়ার সময় শুধু সংজ্ঞা মুখস্থ না করে বাক্যে কারক ও বিভক্তি কীভাবে নির্ণয় করা হয়, সেটিও অনুশীলন করো।

কারক ও অকারক সম্পর্ক – পাঠ্যাংশভিত্তিক প্রশ্নোত্তর

মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষায় পাঠ্যাংশের বাক্য থেকে নির্দিষ্ট পদ চিহ্নিত করে তার কারক ও বিভক্তি নির্ণয় করতে বলা হতে পারে। তাই উদাহরণসহ অনুশীলন করা গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশ্ন: “কিন্তু নতুন মেসোকে দেখে জ্ঞানচক্ষু খুলে গেল তপনের।” — ‘জ্ঞানচক্ষু’ কোন কারক?
উত্তর: জ্ঞানচক্ষু — কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি।
প্রশ্ন: “বুকের রক্ত ছলকে ওঠে তপনের।” — ‘বুকের’ কোন পদ?
উত্তর: বুকের — সম্বন্ধ পদে ‘এর’ বিভক্তি।
প্রশ্ন: “আমরা ভিখারি বারোমাস।” — ‘বারোমাস’ কোন কারক?
উত্তর: বারোমাস — কালাধিকরণে শূন্য বিভক্তি।
প্রশ্ন: “আমাদের কথা কে বা জানে।” — ‘কে’ কোন কারক?
উত্তর: কে — কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি।
প্রশ্ন: “নতুন সৃষ্টিকে বারবার করছিলেন বিধ্বস্ত।” — ‘সৃষ্টিকে’ কোন কারক?
উত্তর: সৃষ্টিকে — কর্ম কারকে ‘কে’ বিভক্তি।
প্রশ্ন: “বাড়ির রান্না হতো কাঠের উনুনে।” — ‘বাড়ির’ কী?
উত্তর: বাড়ির — সম্বন্ধ পদে ‘র’ বিভক্তি।
প্রশ্ন: “তারা ওই কালো জলে হরতকী ঘষত।” — ‘হরতকী’ কোন কারক?
উত্তর: হরতকী — কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি।
প্রশ্ন: “কলম তাদের কাছে আজ অস্পৃশ্য।” — ‘আজ’ কোন কারক?
উত্তর: আজ — অধিকরণ কারকে শূন্য বিভক্তি।
প্রশ্ন: “ছিঁড়িলা কুসুমদাম রোষে মহাবলী মেঘনাদ।” — ‘রোষে’ কোন কারক?
উত্তর: রোষে — হেতু অর্থে করণে ‘এ’ বিভক্তি।
প্রশ্ন: “বায়ু অস্ত্রে উড়াইব তারে।” — ‘অস্ত্রে’ কোন কারক?
উত্তর: অস্ত্রে — করণ কারকে ‘এ’ বিভক্তি।

সমাস – Madhyamik Bengali Grammar

সমাস মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সমাসের প্রশ্নে সাধারণত সংজ্ঞা, ব্যাসবাক্য, সমাসের ধরন, সমাসবদ্ধ পদ এবং নির্দিষ্ট উদাহরণের সমাস নির্ণয় করতে দেওয়া হয়।

সমাস কাকে বলে?

প্রশ্ন: সমাস কাকে বলে?
উত্তর: পারস্পরিক অর্থগত সম্পর্কযুক্ত দুই বা ততোধিক পদের একপদী করণকে সমাস বলে।

সমস্ত পদ কী?

প্রশ্ন: সমস্ত পদ বা সমাসনিষ্পন্ন পদ কাকে বলে?
উত্তর: পূর্বপদ ও উত্তরপদ সমাসের মাধ্যমে মিলিত হয়ে যে নতুন পদ গঠন করে, তাকে সমস্ত পদ বা সমাসবদ্ধ পদ বলে।

সমাসের গুরুত্বপূর্ণ ধারণাগুলি

বিষয় সহজ ধারণা
সমাস দুই বা ততোধিক পদের একপদী করণ
ব্যাসবাক্য সমাসবদ্ধ পদকে ভেঙে তার অর্থ প্রকাশকারী বাক্যাংশ
সমস্ত পদ সমাসের মাধ্যমে তৈরি নতুন পদ
পূর্বপদ সমাসবদ্ধ পদের প্রথম অংশ
উত্তরপদ সমাসবদ্ধ পদের পরের অংশ

নিত্য সমাস কাকে বলে?

প্রশ্ন: নিত্য সমাস কাকে বলে?
উত্তর: যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না অথবা ব্যাসবাক্য তৈরি করতে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে।

একশেষ দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ

প্রশ্ন: একশেষ দ্বন্দ্ব সমাসের একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: আমরা — তুমি ও আমি।

উপমান ও উপমিত কর্মধারয় সমাসের পার্থক্য

উপমান কর্মধারয়

উপমান কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্ম প্রকাশিত থাকে।

উপমিত কর্মধারয়

উপমিত কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্ম প্রকাশিত থাকে না।

বাক্যাশ্রয়ী সমাস কী?

প্রশ্ন: বাক্যাশ্রয়ী সমাস কাকে বলে?
উত্তর: যে সমাসে একাধিক সমাসবদ্ধ পদের সাহায্যে একটি দীর্ঘ সমস্তপদ গঠিত হয়, তাকে বাক্যাশ্রয়ী সমাস বলে।

কোন সমাসে অন্য পদের অর্থ প্রধান?

প্রশ্ন: অন্য পদের অর্থ প্রাধান্য পায় কোন সমাসে?
উত্তর: বহুব্রীহি সমাসে অন্য পদের অর্থ প্রধান হয়।

উপমান কর্মধারয়ের উদাহরণ

প্রশ্ন: উপমান কর্মধারয়ের একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: তুষারধবল — তুষারের ন্যায় ধবল।

মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস

প্রশ্ন: মধ্যপদলোপী কর্মধারয় কাকে বলে?
উত্তর: যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের কোনো পদ লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।
উদাহরণ: সিংহ চিহ্নিত আসন → সিংহাসন।

কর্মধারয় সমাস কী?

প্রশ্ন: কর্মধারয় সমাসের বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: যে সমাসে সমস্যমান পদগুলি সাধারণত বিশেষ্য ও বিশেষণ সম্পর্কযুক্ত হয় এবং উত্তরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।

তৎপুরুষ সমাসের সাধারণ বৈশিষ্ট্য

প্রশ্ন: তৎপুরুষ শব্দটির সাধারণ অর্থ ও একটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তর: ‘তৎপুরুষ’ শব্দটির সাধারণ অর্থ ‘তার পুরুষ’। তৎপুরুষ সমাসে উত্তরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং পূর্বপদের কারক বা সম্বন্ধবোধক বিভক্তি সাধারণত লোপ পায়।

বহুব্রীহি শব্দের অর্থ

প্রশ্ন: ‘বহুব্রীহি’ শব্দটির অর্থ কী?
উত্তর: ‘বহুব্রীহি’ শব্দের অর্থ—‘বহু ব্রীহি বা ধান যার’।

সমাস – পাঠ্যাংশভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর

নিচের উদাহরণগুলি পরীক্ষার আগে সমাস চেনার অনুশীলনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি ক্ষেত্রে সমাসবদ্ধ পদ, ব্যাসবাক্য এবং সমাসের ধরন খেয়াল করে পড়লে উত্তর লেখা সহজ হবে।

১. “জ্ঞানচক্ষু” — সমাস নির্ণয় করো।
উত্তর: জ্ঞানচক্ষু = জ্ঞান রূপ চক্ষু। এটি রূপক কর্মধারয় সমাস
২. “জলতরঙ্গ” — সমাস নির্ণয় করো।
উত্তর: জলতরঙ্গ = জলের তরঙ্গ। এটি সম্বন্ধ তৎপুরুষ সমাস
৩. “বারোমাস” — সমাস নির্ণয় করো।
উত্তর: বারোমাস = বারো মাসের সমাহার। এটি সমাহার দ্বিগু সমাস
৪. “বনস্পতি” — সমাস নির্ণয় করো।
উত্তর: বনস্পতি = বনের পতি। এটি সম্বন্ধ তৎপুরুষ সমাস
৫. “যুগান্ত” — সমাস নির্ণয় করো।
উত্তর: যুগান্ত = যুগের অন্ত। এটি সম্বন্ধ তৎপুরুষ সমাস
৬. “হিমালয়” — সমাস নির্ণয় করো।
উত্তর: হিমালয় = হিমের আলয়। এটি সম্বন্ধ তৎপুরুষ সমাস
৭. “মোহভঙ্গ” — সমাস নির্ণয় করো।
উত্তর: মোহভঙ্গ = মোহের ভঙ্গ। এটি সম্বন্ধ তৎপুরুষ সমাস
৮. “অদৃষ্ট” — সমাস নির্ণয় করো।
উত্তর: অদৃষ্ট = নয় দৃষ্ট। এটি না-তৎপুরুষ সমাস
৯. “বীরবাহু” — সমাস নির্ণয় করো।
উত্তর: বীরবাহু = বীরের মতো বাহু যার। এটি উপমিত বহুব্রীহি সমাস
১০. “কৌশিকধ্বজ” — সমাস নির্ণয় করো।
উত্তর: কৌশিকধ্বজ = কৌশিকের ধ্বজার মতো ধ্বজা যার। এটি উপমিত বহুব্রীহি সমাস
১১. “যথাবিধি” — সমাস নির্ণয় করো।
উত্তর: যথাবিধি = বিধির মতো। এটি উপসর্গ তৎপুরুষ সমাস
১২. “গঙ্গোদক” — সমাস নির্ণয় করো।
উত্তর: গঙ্গোদক = গঙ্গার উদক। এটি সম্বন্ধ তৎপুরুষ সমাস
১৩. “আকাশস্পর্শী” — সমাস নির্ণয় করো।
উত্তর: আকাশস্পর্শী = আকাশকে স্পর্শ করেছে যে। এটি উপপদ তৎপুরুষ সমাস
১৪. “সৈন্যবাহিনী” — সমাস নির্ণয় করো।
উত্তর: সৈন্যবাহিনী = সৈন্যদের বাহিনী। এটি সম্বন্ধ তৎপুরুষ সমাস
১৫. “আগাগোড়া” — সমাস নির্ণয় করো।
উত্তর: আগাগোড়া = আগা থেকে গোড়া। এটি অপাদান তৎপুরুষ সমাস
১৬. “মনোহর” — সমাস নির্ণয় করো।
উত্তর: মনোহর = মন হরণ করে যে। এটি উপপদ তৎপুরুষ সমাস
১৭. “সদাচার” — সমাস নির্ণয় করো।
উত্তর: সদাচার = সৎ যে আচার। এটি কর্মধারয় সমাস
১৮. “বেকায়দা” — সমাস নির্ণয় করো।
উত্তর: বেকায়দা = নয় কায়দা। এটি উপসর্গ তৎপুরুষ সমাস
১৯. “ঋষিবালক” — সমাস নির্ণয় করো।
উত্তর: ঋষিবালক = বালক ঋষি। এটি কর্মধারয় সমাস

বাংলা ব্যাকরণ MCQ – গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

১. কর্তা যখন অন্য কাউকে দিয়ে কাজ করায়, তখন তাকে কী বলে?

(A) ব্যতিহার কর্তা
(B) প্রযোজক কর্তা
(C) নিরপেক্ষ কর্তা
(D) সমধাতুজ কর্তা উত্তর: (B) প্রযোজক কর্তা
২. বিভক্তির নিজস্ব অর্থ—

(A) আছে
(B) নেই
(C) সবসময় থাকে
(D) শুধু তৎপুরুষে থাকে উত্তর: (B) নেই
৩. অকারক পদের উদাহরণ কোনটি?

(A) কর্তা
(B) কর্ম
(C) সম্বন্ধ
(D) করণ উত্তর: (C) সম্বন্ধ
৪. ‘অন্য পদের অর্থ’ প্রধান হয় কোন সমাসে?

(A) দ্বন্দ্ব
(B) তৎপুরুষ
(C) কর্মধারয়
(D) বহুব্রীহি উত্তর: (D) বহুব্রীহি
৫. ‘বারোমাস’ কোন সমাস?

(A) দ্বিগু
(B) কর্মধারয়
(C) বহুব্রীহি
(D) অব্যয়ীভাব উত্তর: (A) দ্বিগু
৬. ‘জ্ঞানচক্ষু’ কোন সমাস?

(A) রূপক কর্মধারয়
(B) দ্বন্দ্ব
(C) দ্বিগু
(D) বহুব্রীহি উত্তর: (A) রূপক কর্মধারয়
৭. ‘গঙ্গোদক’ কোন সমাস?

(A) কর্মধারয়
(B) সম্বন্ধ তৎপুরুষ
(C) বহুব্রীহি
(D) দ্বন্দ্ব উত্তর: (B) সম্বন্ধ তৎপুরুষ
৮. ‘সদাচার’ কোন সমাস?

(A) কর্মধারয়
(B) দ্বিগু
(C) বহুব্রীহি
(D) নিত্য উত্তর: (A) কর্মধারয়

পরীক্ষার আগে Quick Revision

কারক ক্রিয়ার সঙ্গে পদের সম্পর্ক
অকারক ক্রিয়ার সঙ্গে কারকগত সম্পর্ক নেই
বিভক্তি শব্দের শেষে যুক্ত হয়
সমাস দুই বা ততোধিক পদের একপদী করণ
তৎপুরুষ উত্তরপদের অর্থ প্রধান
বহুব্রীহি অন্য পদের অর্থ প্রধান
কর্মধারয় উত্তরপদের অর্থ প্রধান
দ্বিগু সংখ্যাবাচক পূর্বপদ গুরুত্বপূর্ণ
ব্যাসবাক্য সমাসবদ্ধ পদকে বিশ্লেষণ করা

মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ প্রস্তুতির কৌশল

১. সংজ্ঞাগুলি পরিষ্কার করে পড়ো

কারক, অকারক, বিভক্তি, নির্দেশক এবং সমাসের সংজ্ঞা ভালোভাবে বুঝে পড়তে হবে। শুধু মুখস্থ না করে প্রতিটি সংজ্ঞার সঙ্গে অন্তত একটি উদাহরণ মনে রাখলে পরীক্ষায় উত্তর লেখা সহজ হয়।

২. উদাহরণ দেখে কারক নির্ণয় অনুশীলন করো

কারকের ক্ষেত্রে কোন পদটি ক্রিয়ার সঙ্গে কী সম্পর্ক তৈরি করছে, সেটি আগে বুঝতে হবে। তারপর কারক এবং বিভক্তি নির্ণয় করলে ভুলের সম্ভাবনা কমে যায়।

৩. সমাসে ব্যাসবাক্যকে গুরুত্ব দাও

সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে সমাসবদ্ধ পদটি ভেঙে ব্যাসবাক্য তৈরি করার চেষ্টা করো। ব্যাসবাক্যের সম্পর্ক বুঝতে পারলে সমাসের ধরন নির্ণয় করা অনেক সহজ হয়।

৪. একই ধরনের উদাহরণ একসঙ্গে অনুশীলন করো

তৎপুরুষ, কর্মধারয় এবং বহুব্রীহির উদাহরণ আলাদা করে অনুশীলন করলে তাদের পার্থক্য দ্রুত মনে থাকবে। বিশেষ করে উত্তরপদের অর্থ এবং অন্য পদের অর্থের প্রাধান্য খেয়াল করো।

Final Revision Tip: পরীক্ষার আগে কারক ও অকারক সম্পর্ক এবং সমাসের সংজ্ঞা, পার্থক্য, ব্যাসবাক্য ও গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণগুলি একবার লিখে অনুশীলন করো। এতে MCQ এবং সংক্ষিপ্ত—দুই ধরনের প্রশ্নের প্রস্তুতিই একসঙ্গে হয়ে যাবে।

উপসংহার

Madhyamik Bengali বাংলা ব্যাকরণ ভালোভাবে প্রস্তুত করতে হলে শুধু সাহিত্যভিত্তিক প্রশ্ন পড়লেই হবে না; ব্যাকরণের গুরুত্বপূর্ণ ধারণাগুলিও পরিষ্কার রাখতে হবে। কারক ও অকারক সম্পর্ক এবং সমাস এই প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সংজ্ঞা, উদাহরণ, কারক-বিভক্তি নির্ণয়, ব্যাসবাক্য এবং সমাসের ধরন নিয়মিত অনুশীলন করলে এই অধ্যায়গুলি অনেক সহজ হয়ে যায়। পরীক্ষার আগে দ্রুত revision-এর জন্য উপরের প্রশ্নোত্তর ও তালিকাগুলি ব্যবহার করা যেতে পারে।

Frequently Asked Questions