Cademy
SuggestionsHistoryWBBSE

উত্তর-ঔপনিবেশিক ভারত : বিশ শতকের দ্বিতীয় পর্ব (১৯৪৭–১৯৬৪) – Madhyamik History Chapter 8 Question and Answer | WBBSE Class 10

15 Sept 2026 0 views

উত্তর-ঔপনিবেশিক ভারত : বিশ শতকের দ্বিতীয় পর্ব (১৯৪৭–১৯৬৪) WBBSE Madhyamik History-এর অষ্টম অধ্যায়। স্বাধীনতার পর ভারতকে শুধু একটি নতুন রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুললেই কাজ শেষ হয়নি; দেশভাগের ক্ষত, উদ্বাস্তু সমস্যা, দেশীয় রাজ্যগুলির ভারতভুক্তি, কাশ্মীর ও হায়দ্রাবাদের প্রশ্ন, ভাষাভিত্তিক রাজ্য গঠন এবং নতুন ভারতের প্রশাসনিক কাঠামো—সবকিছুই একসঙ্গে সামলাতে হয়েছিল।

এই chapter-এর মূল focus হলো স্বাধীনতার পর ভারতের nation-building process। তাই ঘটনাগুলি আলাদা আলাদা করে মুখস্থ না করে সমস্যা → সরকারি উদ্যোগ → ফলাফল এই ধারায় পড়লে বিষয়গুলি অনেক সহজে মনে থাকবে।

অধ্যায়টির মূল বিষয় এক নজরে

Topic যা বিশেষভাবে পড়বে
দেশভাগ ও উদ্বাস্তু Partition, refugee crisis, rehabilitation, Dandakaranya Project
দেশীয় রাজ্যের ভারতভুক্তি Instrument of Accession, Sardar Patel, V. P. Menon
কাশ্মীর হরি সিং, ভারতভুক্তি, শেখ আবদুল্লা
হায়দ্রাবাদ নিজাম, Operation Polo, ভারতভুক্তি
ফরাসি ও পর্তুগিজ উপনিবেশ চন্দননগর, পুদুচেরি, গোয়া, দমন ও দিউ
ভাষাভিত্তিক রাজ্য আন্ধ্র, States Reorganisation Commission, 1956 Act
নতুন রাজ্য মহারাষ্ট্র, গুজরাট, নাগাল্যান্ড, পাঞ্জাব-হরিয়ানা

স্বাধীনতার পর ভারতের প্রধান সমস্যা

১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর ভারতের সামনে একাধিক বড় সমস্যা দেখা দেয়। দেশভাগের ফলে বিপুল সংখ্যক মানুষ বাসস্থান হারান। একই সঙ্গে ব্রিটিশ ভারতের সঙ্গে যুক্ত দেশীয় রাজ্যগুলিকে নতুন ভারতীয় রাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত করতে হয়।

এর পাশাপাশি বিভিন্ন ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর নিজস্ব প্রশাসনিক রাজ্যের দাবি, সীমান্ত সমস্যা এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের মতো বিষয়ও সামনে আসে।

Exam Focus: স্বাধীনতার পর ভারতের nation-building-এর প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে মনে রাখবে — Partition → Refugee Problem → Princely States → Kashmir & Hyderabad → Linguistic Reorganisation

দেশভাগ ও উদ্বাস্তু সমস্যা

১৯৪৭ সালের Partition-এর ফলে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়। দেশভাগের ফলে বিশেষ করে বাংলা ও পাঞ্জাবের মানুষের জীবন গভীরভাবে প্রভাবিত হয়। বহু মানুষ নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে অন্য দেশে চলে যেতে বাধ্য হন।

এইভাবে যারা রাজনৈতিক বা সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতির কারণে নিজেদের বাসস্থান ছেড়ে অন্য অঞ্চলে আশ্রয় নেন, তাঁদের উদ্বাস্তু বা Refugee বলা হয়।

উদ্বাস্তু সমস্যার প্রভাব

  • বিপুল সংখ্যক মানুষ বাসস্থান হারান।
  • খাদ্য, বাসস্থান ও কর্মসংস্থানের সমস্যা তৈরি হয়।
  • পশ্চিমবঙ্গ, পাঞ্জাব এবং অন্যান্য অঞ্চলে refugee settlements গড়ে ওঠে।
  • সরকারকে দ্রুত rehabilitation ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়।
  • উদ্বাস্তুদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক পুনর্বাসন একটি বড় প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠে।

পূর্ব পাকিস্তান থেকে উদ্বাস্তু আগমন

পূর্ব পাকিস্তান থেকে বহু মানুষ পশ্চিমবঙ্গে এসে আশ্রয় নেন। কলকাতা ও তার আশেপাশের অঞ্চলসহ বিভিন্ন জায়গায় refugee colony গড়ে ওঠে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনও উদ্বাস্তুদের সাহায্যে এগিয়ে আসে।

উদ্বাস্তু পুনর্বাসন

ভারত সরকার উদ্বাস্তুদের জন্য temporary camps, housing, employment এবং পুনর্বাসনের বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করে। পশ্চিমবঙ্গে জমির সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক উদ্বাস্তুকে রাজ্যের বাইরে পুনর্বাসনের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়।

Important Concept:
Refugee Rehabilitation শুধু থাকার জায়গা দেওয়ার বিষয় ছিল না। এর সঙ্গে বাসস্থান + জীবিকা + জমি + কর্মসংস্থান + সামাজিক পুনর্বাসন—সবকিছুই যুক্ত ছিল।

দণ্ডকারণ্য প্রকল্প

পশ্চিমবঙ্গে উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসনের সমস্যা মোকাবিলায় বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এর মধ্যে Dandakaranya Project ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। মধ্য ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসনের পরিকল্পনা এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিল।

উদ্দেশ্য ছিল উদ্বাস্তু পরিবারগুলিকে নতুন বসতি, জমি এবং জীবিকার সুযোগ দেওয়া। তবে বাস্তবে নতুন পরিবেশে বসবাস ও জীবিকা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অনেক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছিল।

Quick Revision:
Partition → Refugee Crisis → Rehabilitation → Dandakaranya Project

সম্পত্তি ও জনবিনিময় নীতি

দেশভাগের ফলে দুই দেশের মধ্যে মানুষের স্থানান্তরের সঙ্গে সম্পত্তির প্রশ্নও জড়িয়ে পড়ে। মানুষ যে অঞ্চল ছেড়ে চলে গিয়েছিল সেখানে তাঁদের সম্পত্তি, এবং নতুন দেশে তাঁদের পুনর্বাসনের জন্য সম্পদ ব্যবহারের প্রশ্ন সামনে আসে।

এই পরিস্থিতিতে Evacuee Property বা পরিত্যক্ত সম্পত্তি সংক্রান্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে এই সম্পত্তির ব্যবহারও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

দেশীয় রাজ্যগুলির ভারতভুক্তি

স্বাধীনতার সময় British India-এর পাশাপাশি বহু Princely State ছিল। এই দেশীয় রাজ্যগুলির ভবিষ্যৎ ছিল স্বাধীন ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। দেশীয় রাজ্যগুলিকে ভারতীয় ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত করা ছিল national integration-এর একটি অপরিহার্য ধাপ।

Instrument of Accession

দেশীয় রাজ্যগুলিকে ভারতের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য যে দলিল ব্যবহার করা হয়েছিল তাকে Instrument of Accession বলা হয়। এই দলিলের মাধ্যমে দেশীয় রাজ্যের শাসকরা ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

Remember:
Instrument of Accession = দেশীয় রাজ্যের ভারতের সঙ্গে যোগদানের গুরুত্বপূর্ণ দলিল।

সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ভূমিকা

স্বাধীন ভারতের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল দেশীয় রাজ্যগুলির ভারতভুক্তির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর দৃঢ় রাজনৈতিক নেতৃত্বের কারণে তাঁকে অনেক সময় “Iron Man of India” বলা হয়।

প্যাটেলের সঙ্গে V. P. Menon দেশীয় রাজ্যগুলির সঙ্গে আলোচনা ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁদের প্রচেষ্টায় অধিকাংশ দেশীয় রাজ্য ভারতীয় ইউনিয়নে যুক্ত হয়।

ব্যক্তিত্ব ভূমিকা
সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল দেশীয় রাজ্যগুলির ভারতভুক্তিতে রাজনৈতিক নেতৃত্ব
V. P. Menon একীকরণ প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ভূমিকা

কাশ্মীরের ভারতভুক্তি

দেশীয় রাজ্যগুলির মধ্যে Jammu and Kashmir ছিল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। এর শাসক ছিলেন মহারাজা হরি সিং। প্রথমদিকে তিনি স্বাধীন থাকার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ১৯৪৭ সালের পরিস্থিতিতে কাশ্মীরের নিরাপত্তা সংকট দেখা দিলে তিনি ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

Instrument of Accession ও কাশ্মীর

মহারাজা হরি সিং Instrument of Accession-এ স্বাক্ষর করলে জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়। এর পর ভারতীয় সেনাবাহিনী কাশ্মীরে সামরিক সহায়তা প্রদান করে।

শেখ আবদুল্লা

কাশ্মীরের রাজনৈতিক ইতিহাসে Sheikh Abdullah একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। National Conference-এর নেতৃত্বে তিনি কাশ্মীরের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং পরবর্তীকালে কাশ্মীরের প্রশাসনিক ব্যবস্থার সঙ্গেও যুক্ত হন।

Quick Revision:
Kashmir → Maharaja Hari Singh → Instrument of Accession → India → Sheikh Abdullah

হায়দ্রাবাদের ভারতভুক্তি

Hyderabad ছিল ভারতের অন্যতম বৃহৎ দেশীয় রাজ্য। এর শাসক ছিলেন Nizam Osman Ali Khan। স্বাধীনতার পর হায়দ্রাবাদ প্রথমদিকে ভারতের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হতে চায়নি।

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা সমস্যা ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত ভারত সরকার সামরিক অভিযান পরিচালনা করে এবং হায়দ্রাবাদ ভারতীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হয়।

Operation Polo

১৯৪৮ সালের Operation Polo ছিল হায়দ্রাবাদকে ভারতীয় ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত করার সামরিক অভিযান। অভিযানের পর নিজামের শাসনের অবসান ঘটে এবং হায়দ্রাবাদ ভারতের অংশ হয়ে যায়।

বিষয় কাশ্মীর হায়দ্রাবাদ
শাসক মহারাজা হরি সিং নিজাম ওসমান আলি খান
প্রধান সমস্যা ভারতভুক্তি ও নিরাপত্তা ভারতভুক্তিতে অনিচ্ছা ও রাজনৈতিক অস্থিরতা
গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা Instrument of Accession Operation Polo
পরিণতি ভারতের সঙ্গে যুক্ত ভারতের সঙ্গে যুক্ত

জুনাগড়ের ভারতভুক্তি

Junagadh ছিল আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দেশীয় রাজ্য। এর শাসক পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, যদিও রাজ্যের অধিকাংশ জনগণ হিন্দু ছিল এবং ভৌগোলিক অবস্থান ভারতের সঙ্গে বেশি সম্পর্কযুক্ত ছিল।

এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রাজ্যে রাজনৈতিক প্রতিরোধ গড়ে ওঠে। পরবর্তীকালে গণভোটের মাধ্যমে জুনাগড়ের ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পথ সুগম হয়।

দেশীয় রাজ্যগুলির ভারতভুক্তির গুরুত্ব

দেশীয় রাজ্যগুলিকে ভারতীয় ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত করা শুধুমাত্র প্রশাসনিক পরিবর্তন ছিল না। এর মাধ্যমে একটি সংযুক্ত ও শক্তিশালী ভারতীয় রাষ্ট্র গড়ে তোলার পথ তৈরি হয়।

  • ভারতের রাজনৈতিক ঐক্য সুদৃঢ় হয়।
  • বিভিন্ন ছোট-বড় রাজ্যের বিচ্ছিন্নতার সম্ভাবনা কমে।
  • একটি বৃহত্তর প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি হয়।
  • জাতীয় সংহতি প্রতিষ্ঠার ভিত্তি শক্ত হয়।

ভারতে ফরাসি উপনিবেশের অবসান

স্বাধীনতার পরেও ভারতের কিছু অঞ্চলে French colonial presence ছিল। Chandannagar এবং Pondicherry, Karaikal, Mahe ও Yanam-এর মতো অঞ্চল ফরাসি শাসনের সঙ্গে যুক্ত ছিল।

চন্দননগর

চন্দননগরের মানুষের মতামত এবং রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অঞ্চলটি ভারতীয় ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত হয়। পরবর্তীকালে ফরাসি ভারতের অন্যান্য অঞ্চলও ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়।

Remember:
French India → Chandannagar + Pondicherry group → ধাপে ধাপে Indian Union-এর সঙ্গে integration।

গোয়া, দমন ও দিউ

ভারতের স্বাধীনতার পরেও Goa, Daman and Diu পর্তুগিজ শাসনের অধীনে ছিল। দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলন ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পর ১৯৬১ সালে ভারত সামরিক অভিযান পরিচালনা করে এই অঞ্চলগুলিকে মুক্ত করে।

Operation Vijay

১৯৬১ সালের Operation Vijay-এর মাধ্যমে গোয়া, দমন ও দিউ ভারতীয় নিয়ন্ত্রণে আসে। এর ফলে ভারতের ভূখণ্ডে Portuguese colonial rule-এর অবসান ঘটে।

Exam Connection:
Goa → Portuguese Colony → 1961 → Operation Vijay → Indian Union

ভাষাভিত্তিক রাজ্য গঠনের দাবি

স্বাধীনতার পর ভারতের বিভিন্ন ভাষাভাষী জনগোষ্ঠী নিজেদের ভাষা ও সংস্কৃতির ভিত্তিতে পৃথক প্রশাসনিক রাজ্যের দাবি জানাতে শুরু করে। এই দাবি থেকেই Linguistic Reorganisation of States একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্রশ্ন হয়ে ওঠে।

আন্ধ্র রাজ্যের সৃষ্টি

তেলুগুভাষী মানুষের পৃথক রাজ্যের দাবির আন্দোলন ভাষাভিত্তিক রাজ্য গঠনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পট্টি শ্রীরামালু এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর অনশন ও মৃত্যুর পর আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে।

এর ফলস্বরূপ ১৯৫৩ সালে পৃথক Andhra State গঠিত হয়। এটি ভাষাভিত্তিক রাজ্য পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ turning point ছিল।

Quick Revision:
Telugu-speaking people → Potti Sriramulu → Andhra Movement → Andhra State, 1953

রাজ্য পুনর্গঠন কমিশন

ভাষাভিত্তিক রাজ্য গঠনের প্রশ্নকে সুষ্ঠুভাবে বিবেচনা করার জন্য ভারত সরকার States Reorganisation Commission গঠন করে। এর সভাপতি ছিলেন Fazl Ali। কমিশন বিভিন্ন ভাষা, প্রশাসন, অর্থনীতি ও জাতীয় ঐক্যের দিক বিবেচনা করে রাজ্য পুনর্গঠনের বিষয়ে সুপারিশ করে।

বিষয় তথ্য
কমিশন States Reorganisation Commission
গঠন ১৯৫৩
সভাপতি Fazl Ali
উদ্দেশ্য রাজ্য পুনর্গঠনের নীতিগত সুপারিশ

States Reorganisation Act, 1956

States Reorganisation Act, 1956 ভারতের প্রশাসনিক মানচিত্রে বড় পরিবর্তন আনে। ভাষাগত ও প্রশাসনিক বিবেচনার ভিত্তিতে বিভিন্ন রাজ্যের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা হয়।

তবে শুধু ভাষাই একমাত্র বিষয় ছিল না। প্রশাসনিক সুবিধা, অর্থনৈতিক বাস্তবতা এবং জাতীয় ঐক্যের বিষয়গুলিও রাজ্য পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে বিবেচিত হয়।

মহারাষ্ট্র ও গুজরাট গঠন

ভাষাভিত্তিক রাজ্য পুনর্গঠনের ধারায় Bombay State-এর ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্দোলন গড়ে ওঠে। মারাঠি ও গুজরাটি ভাষাভাষী মানুষের পৃথক রাজ্যের দাবির ফলে শেষ পর্যন্ত ১৯৬০ সালে Maharashtra এবং Gujarat পৃথক রাজ্য হিসেবে গঠিত হয়।

রাজ্য গঠনের বছর ভাষাগত ভিত্তি
Andhra State 1953 Telugu
Maharashtra 1960 Marathi
Gujarat 1960 Gujarati

নাগাল্যান্ড রাজ্য

উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্যের প্রশ্নও স্বাধীনতার পর গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। দীর্ঘ রাজনৈতিক আলোচনার পর Nagaland ১৯৬৩ সালে পৃথক রাজ্য হিসেবে গঠিত হয়।

নাগাল্যান্ডের গঠন ভারতের federal structure-এর মধ্যে আঞ্চলিক পরিচয় ও রাজনৈতিক দাবিকে স্বীকৃতি দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

পাঞ্জাব পুনর্গঠন ও হরিয়ানা

ভাষাভিত্তিক দাবির প্রেক্ষিতে পাঞ্জাবের পুনর্গঠনও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ১৯৬৬ সালে পাঞ্জাব পুনর্গঠনের ফলে Haryana পৃথক রাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। Chandigarh-কে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হয়।

ভাষা ও জাতীয় ঐক্য

স্বাধীনতার পর ভাষার প্রশ্নে ভারতের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ balancing challenge ছিল। একদিকে বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের সাংস্কৃতিক পরিচয় রক্ষা করা, অন্যদিকে national unity বজায় রাখা—দুই দিককেই গুরুত্ব দিতে হয়।

সংবিধান ভারতীয় ভাষাগুলিকে সাংস্কৃতিক ও প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে বিভিন্নভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। পরবর্তীকালে Eighth Schedule-এর মাধ্যমে একাধিক ভাষা সাংবিধানিক স্বীকৃতি লাভ করে।

Important Idea:
Linguistic States-এর উদ্দেশ্য ছিল ভাষাগত পরিচয়কে প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য করা এবং একই সঙ্গে Indian Union-এর ঐক্য বজায় রাখা।

গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা – Chronological Timeline

1947
ভারতের স্বাধীনতা ও দেশভাগ; উদ্বাস্তু সমস্যা শুরু।
1947
কাশ্মীরের ভারতভুক্তি এবং দেশীয় রাজ্যগুলির integration process-এর গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়।
1948
Operation Polo-এর মাধ্যমে হায়দ্রাবাদ ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়।
1950
Nehru-Liaquat Pact বা Delhi Pact স্বাক্ষরিত হয়।
1953
Andhra State গঠিত হয় এবং States Reorganisation Commission গঠিত হয়।
1954
Chandannagar ভারতীয় প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
1956
States Reorganisation Act কার্যকর হয়।
1960
Maharashtra ও Gujarat পৃথক রাজ্য হিসেবে গঠিত হয়।
1961
Operation Vijay-এর মাধ্যমে Goa, Daman and Diu ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়।
1963
Nagaland পৃথক রাজ্য হয়।
1964
এই অধ্যায়ের নির্ধারিত সময়সীমার সমাপ্তি।

Important Comparison Chart

ঘটনা মূল ব্যক্তি সাল গুরুত্ব
দেশীয় রাজ্যের ভারতভুক্তি Sardar Patel, V. P. Menon 1947 onward National Integration
কাশ্মীরের ভারতভুক্তি Hari Singh 1947 Instrument of Accession
হায়দ্রাবাদ Nizam, Indian Government 1948 Operation Polo
আন্ধ্র রাজ্য Potti Sriramulu 1953 ভাষাভিত্তিক রাজ্য
States Reorganisation Commission Fazl Ali 1953 রাজ্য পুনর্গঠন
States Reorganisation Act Indian Government 1956 রাজ্যের সীমানা পুনর্গঠন
Maharashtra & Gujarat Regional movements 1960 ভাষাভিত্তিক রাজ্য
Goa Liberation Indian Government 1961 Portuguese rule-এর অবসান
Nagaland Regional political movement 1963 নতুন রাজ্য গঠন

MCQ – Most Important Revision Questions

1. ভারতের ‘লৌহমানব’ কাকে বলা হয়?
উত্তর: সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল।
2. Instrument of Accession কী?
উত্তর: দেশীয় রাজ্যের ভারতীয় ইউনিয়নে যোগদানের গুরুত্বপূর্ণ দলিল।
3. কাশ্মীরের শেষ দেশীয় শাসক কে ছিলেন?
উত্তর: মহারাজা হরি সিং।
4. হায়দ্রাবাদের শাসককে কী বলা হতো?
উত্তর: নিজাম।
5. Operation Polo কোন রাজ্যের ভারতভুক্তির সঙ্গে যুক্ত?
উত্তর: হায়দ্রাবাদ।
6. States Reorganisation Commission-এর সভাপতি কে ছিলেন?
উত্তর: ফজল আলি।
7. States Reorganisation Commission কবে গঠিত হয়?
উত্তর: ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে।
8. States Reorganisation Act কবে কার্যকর হয়?
উত্তর: ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দে।
9. পৃথক Andhra State কবে গঠিত হয়?
উত্তর: ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে।
10. Andhra Movement-এর সঙ্গে কার নাম বিশেষভাবে যুক্ত?
উত্তর: পট্টি শ্রীরামালু।
11. Maharashtra ও Gujarat কবে পৃথক রাজ্য হয়?
উত্তর: ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দে।
12. Goa ভারতের সঙ্গে কবে যুক্ত হয়?
উত্তর: ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দে।
13. Goa Liberation-এর সঙ্গে কোন সামরিক অভিযানের নাম যুক্ত?
উত্তর: Operation Vijay।
14. Nagaland কবে পৃথক রাজ্য হয়?
উত্তর: ১৯৬৩ খ্রিস্টাব্দে।
15. Nehru-Liaquat Pact কবে স্বাক্ষরিত হয়?
উত্তর: ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে।

অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন – VVI

স্বাধীন ভারতের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে ছিলেন?
সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল।
V. P. Menon কে ছিলেন?
দেশীয় রাজ্যগুলির ভারতভুক্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কর্মকর্তা।
স্বাধীনতার সময় ভারতে প্রায় কতগুলি দেশীয় রাজ্য ছিল?
প্রায় ৫৬৫টি।
কাশ্মীরের রাজা কে ছিলেন?
মহারাজা হরি সিং।
হায়দ্রাবাদের শেষ নিজামের নাম কী?
ওসমান আলি খান।
দিল্লি চুক্তি কী?
১৯৫০ সালের Nehru-Liaquat Pact-কে দিল্লি চুক্তি বলা হয়।
দণ্ডকারণ্য প্রকল্প কেন নেওয়া হয়েছিল?
উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসনের উদ্দেশ্যে।
States Reorganisation Commission কবে গঠিত হয়?
১৯৫৩ সালে।
States Reorganisation Commission-এর সভাপতি কে ছিলেন?
ফজল আলি।
পট্টি শ্রীরামালু কে ছিলেন?
তেলুগুভাষী পৃথক রাজ্যের দাবির আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ নেতা।
Goa কোন দেশের উপনিবেশ ছিল?
পর্তুগালের।
Chandannagar কোন দেশের উপনিবেশ ছিল?
ফ্রান্সের।
Operation Vijay কী?
১৯৬১ সালে Goa, Daman and Diu-কে পর্তুগিজ শাসন থেকে মুক্ত করার ভারতীয় সামরিক অভিযান।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন – ২ নম্বর

  1. Instrument of Accession বলতে কী বোঝো?
  2. দেশীয় রাজ্যগুলির ভারতভুক্তিতে সর্দার প্যাটেলের ভূমিকা কী ছিল?
  3. V. P. Menon-এর ভূমিকা কী ছিল?
  4. উদ্বাস্তু কাদের বলা হয়?
  5. দেশভাগের ফলে উদ্বাস্তু সমস্যার সৃষ্টি হয় কেন?
  6. উদ্বাস্তু পুনর্বাসনে ভারত সরকারের দুটি উদ্যোগ লেখো।
  7. দণ্ডকারণ্য প্রকল্প কী?
  8. Evacuee Property বলতে কী বোঝো?
  9. জুনাগড় কীভাবে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়?
  10. কাশ্মীরের ভারতভুক্তির পটভূমি সংক্ষেপে লেখো।
  11. হায়দ্রাবাদ কীভাবে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়?
  12. Operation Polo কী?
  13. ফরাসি ভারতের প্রধান অঞ্চলগুলির নাম লেখো।
  14. চন্দননগর কীভাবে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়?
  15. Goa Liberation-এর গুরুত্ব কী?
  16. Operation Vijay কী?
  17. আন্ধ্র রাজ্য গঠনের পটভূমি কী?
  18. পট্টি শ্রীরামালুর ভূমিকা কী ছিল?
  19. States Reorganisation Commission কেন গঠিত হয়?
  20. States Reorganisation Act-এর গুরুত্ব কী?
  21. মহারাষ্ট্র ও গুজরাট কেন পৃথক রাজ্য হয়?
  22. নাগাল্যান্ড কেন পৃথক রাজ্য হয়?

বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন – ৪ নম্বর

৪ নম্বরের উত্তর লেখার সময় Background → Main Event → Government Action → Result এই sequence ব্যবহার করলে উত্তর আরও পরিষ্কার হবে।

  1. দেশীয় রাজ্যগুলির ভারতভুক্তিতে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ভূমিকা আলোচনা করো।
  2. দেশীয় রাজ্যগুলির ভারতভুক্তির প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করো।
  3. উদ্বাস্তু পুনর্বাসনে ভারত সরকারের ভূমিকা আলোচনা করো।
  4. পূর্ব পাকিস্তান থেকে আগত উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসনের সমস্যা আলোচনা করো।
  5. দণ্ডকারণ্য প্রকল্পের উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।
  6. জুনাগড়ের ভারতভুক্তির ঘটনা আলোচনা করো।
  7. কাশ্মীরের ভারতভুক্তির কারণ ও পরিণতি আলোচনা করো।
  8. হায়দ্রাবাদের ভারতভুক্তির ঘটনা আলোচনা করো।
  9. Operation Polo-এর গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।
  10. Goa Liberation-এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব আলোচনা করো।
  11. ভাষাভিত্তিক রাজ্য গঠনের কারণগুলি লেখো।
  12. States Reorganisation Commission-এর কাজ কী ছিল?
  13. States Reorganisation Act, 1956-এর গুরুত্ব আলোচনা করো।
  14. Andhra State গঠনের পটভূমি আলোচনা করো।
  15. মহারাষ্ট্র ও গুজরাট গঠনের কারণ ব্যাখ্যা করো।

রচনাধর্মী প্রশ্ন – ৮ নম্বর

1. স্বাধীনতার পর ভারতের দেশীয় রাজ্যগুলির ভারতভুক্তির প্রক্রিয়া আলোচনা করো। এই কাজে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ভূমিকা বিশ্লেষণ করো।
2. স্বাধীনতার পর উদ্বাস্তু সমস্যার কারণ ও প্রকৃতি আলোচনা করো। উদ্বাস্তু পুনর্বাসনে ভারত সরকারের ভূমিকা বিশ্লেষণ করো।
3. কাশ্মীরের ভারতভুক্তির পটভূমি ও প্রক্রিয়া আলোচনা করো।
4. হায়দ্রাবাদের ভারতভুক্তির পটভূমি এবং Operation Polo-এর ভূমিকা আলোচনা করো।
5. স্বাধীনতার পর ভারতে ভাষাভিত্তিক রাজ্য গঠনের আন্দোলনের কারণগুলি আলোচনা করো।
6. States Reorganisation Commission-এর গঠন, উদ্দেশ্য ও সুপারিশের গুরুত্ব আলোচনা করো।
7. ১৯৫৬ সালের States Reorganisation Act-এর ফলে ভারতের প্রশাসনিক মানচিত্রে কী পরিবর্তন ঘটে?
8. স্বাধীনতার পর ভারতের জাতীয় সংহতি প্রতিষ্ঠায় দেশীয় রাজ্যগুলির ভারতভুক্তির গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
9. ভাষাভিত্তিক রাজ্য পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে Andhra Movement-এর ভূমিকা আলোচনা করো।
10. ১৯৪৭ থেকে ১৯৬৪ সালের মধ্যে ভারতের nation-building process-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি আলোচনা করো।

Match the Following – Quick Revision

‘ক’ স্তম্ভ ‘খ’ স্তম্ভ
সর্দার প্যাটেল দেশীয় রাজ্যগুলির ভারতভুক্তি
হরি সিং কাশ্মীর
নিজাম হায়দ্রাবাদ
V. P. Menon রাজ্য একীকরণে প্রশাসনিক ভূমিকা
পট্টি শ্রীরামালু আন্ধ্র আন্দোলন
ফজল আলি States Reorganisation Commission
Operation Polo হায়দ্রাবাদ
Operation Vijay Goa Liberation
১৯৬০ Maharashtra & Gujarat
১৯৬৩ Nagaland

Map-Based Questions – Important Locations

এই chapter-এর map preparation-এ শুধু স্থান চিহ্নিত করলেই হবে না; প্রতিটি স্থানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট historical event-টিও মনে রাখতে হবে।

স্থান ঐতিহাসিক সম্পর্ক
কাশ্মীর ভারতভুক্তি ও হরি সিং
হায়দ্রাবাদ Operation Polo
জুনাগড় দেশীয় রাজ্যের ভারতভুক্তি
গোয়া Portuguese rule ও Operation Vijay
চন্দননগর French colonial settlement
আন্ধ্রপ্রদেশ ভাষাভিত্তিক রাজ্য আন্দোলন
গুজরাট ১৯৬০ সালে পৃথক রাজ্য
মহারাষ্ট্র ১৯৬০ সালে পৃথক রাজ্য
নাগাল্যান্ড ১৯৬৩ সালে পৃথক রাজ্য
পাঞ্জাব ভাষাভিত্তিক পুনর্গঠন

Statement & Explanation – Important Concepts

Statement: স্বাধীনতার পর দেশীয় রাজ্যগুলিকে ভারতের সঙ্গে যুক্ত করা জরুরি হয়ে পড়ে।

কারণ: একটি সংযুক্ত ও কার্যকর Indian Union গড়ে তুলতে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ঐক্য প্রয়োজন ছিল।
Statement: ১৯৫৬ সালের States Reorganisation Act ভারতের প্রশাসনিক মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনে।

কারণ: বিভিন্ন রাজ্যের সীমানা ভাষাগত ও প্রশাসনিক বিবেচনায় পুনর্গঠিত হয়।
Statement: Andhra Movement ভাষাভিত্তিক রাজ্য গঠনের ক্ষেত্রে turning point হয়ে ওঠে।

কারণ: তেলুগুভাষী জনগোষ্ঠীর পৃথক রাজ্যের দাবি এবং পট্টি শ্রীরামালুর আন্দোলন সরকারকে নতুনভাবে রাজ্য পুনর্গঠনের প্রশ্ন বিবেচনা করতে বাধ্য করে।

Last-Minute Revision Chart

Topic Remember This
Indian Independence 1947
Instrument of Accession Princely States → Indian Union
Kashmir Hari Singh → 1947
Hyderabad Operation Polo → 1948
Delhi Pact 1950 – Nehru & Liaquat Ali Khan
Andhra State 1953
States Reorganisation Commission 1953 – Fazl Ali
Chandannagar 1954 – Indian integration
States Reorganisation Act 1956
Maharashtra & Gujarat 1960
Goa Liberation 1961 – Operation Vijay
Nagaland 1963

How to Prepare Chapter 8 for Madhyamik

এই chapter-এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো ঘটনাগুলিকে chronological order-এ সাজালে পুরো বিষয়টি অনেক সহজ হয়ে যায়। তাই preparation-এর সময় নিচের pattern অনুসরণ করো।

Step 1 – Partition & Refugee Problem

প্রথমে দেশভাগ, উদ্বাস্তু সমস্যা, refugee camps, rehabilitation এবং Dandakaranya Project ভালোভাবে পড়ো।

Step 2 – Princely States

Instrument of Accession, Sardar Patel, V. P. Menon এবং national integration-এর ধারণা একসঙ্গে revise করো।

Step 3 – Special Cases

Kashmir, Hyderabad এবং Junagadh-এর ঘটনাগুলি আলাদা করে পড়ে তাদের মধ্যে পার্থক্য তৈরি করো।

Step 4 – Colonial Territories

Chandannagar ও French settlements-এর integration এবং Goa, Daman and Diu-এর Portuguese rule-এর অবসান—এই দুটি বিষয় compare করে পড়ো।

Step 5 – Linguistic Reorganisation

Andhra Movement → States Reorganisation Commission → States Reorganisation Act → Maharashtra/Gujarat/Nagaland—এই chronological sequence মনে রাখো।

Final Study Strategy: এই chapter-এ সাল মুখস্থ করার পাশাপাশি ব্যক্তি + স্থান + ঘটনা + ফলাফল একসঙ্গে মনে রাখো। যেমন—Hari Singh → Kashmir → Instrument of Accession, Nizam → Hyderabad → Operation Polo, Potti Sriramulu → Andhra → Linguistic State। এই connection-based revision MCQ, short answer এবং descriptive question—তিন ক্ষেত্রেই কাজে দেবে।

Related Madhyamik Resources

WBBSE Class 10-এর History সহ অন্যান্য subject-এর focused revision resources একসঙ্গে দেখতে চাইলে Cademy Madhyamik Suggestion 2027 – All Subjects resource-টি দেখতে পারো।

Conclusion

“উত্তর-ঔপনিবেশিক ভারত : বিশ শতকের দ্বিতীয় পর্ব (১৯৪৭–১৯৬৪)” অধ্যায়টি স্বাধীনতার পর ভারত কীভাবে একটি ঐক্যবদ্ধ ও কার্যকর রাষ্ট্র হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলেছিল, সেই ইতিহাসকে তুলে ধরে। দেশভাগের উদ্বাস্তু সমস্যা থেকে শুরু করে দেশীয় রাজ্যের ভারতভুক্তি এবং ভাষাভিত্তিক রাজ্য পুনর্গঠন—প্রতিটি ঘটনা নতুন ভারতের nation-building process-এর সঙ্গে যুক্ত।

পরীক্ষার জন্য বিশেষভাবে Instrument of Accession, Sardar Patel, V. P. Menon, Kashmir, Hyderabad, Operation Polo, Refugee Rehabilitation, Dandakaranya Project, Andhra Movement, States Reorganisation Commission, States Reorganisation Act, Maharashtra, Gujarat, Goa Liberation এবং Nagaland ভালোভাবে revise করা উচিত।

Madhyamik History মাধ্যমিক ইতিহাস History Chapter 8 Post Colonial India উত্তর-ঔপনিবেশিক ভারত WBBSE Class 10 Princely States Refugee Rehabilitation Linguistic States

Frequently Asked Questions